1লোকে আমাদেরকে এমন মনে করুক যে, আমরা খ্রীষ্টের সেবক ও ঈশ্বরের গুপ্ত বিষয়ের তত্ত্বাবধায়ক (যার উপর দেখাশোনার ভার দেওয়া হয়েছে) ।
2আর এই জায়গায় তত্ত্বাবধায়কের এমন গুণ চাই, যেন তাকে বিশ্বস্ত দেখতে পাওয়া যায় ।
3কিন্তু তোমাদের মাধ্যমে অথবা কোনো মানুষের বিচারসভায় যে আমার বিচার হয়, তা আমার কাছে খুবই সাধারণ বিষয়; এমন কি, আমি আমার নিজেরও বিচার করি না ।
4কারণ আমি আমার নিজের বিরুদ্ধে কিছু জানি না, তবুও আমি নির্দ্দোষ বলে প্রমাণিত হই না; কিন্তু যিনি আমার বিচার করেন, তিনি প্রভু ।
5অতএব তোমরা সময়ের আগে, যে পর্যন্ত প্রভু না আসেন, সেই পর্যন্ত কোন বিচার করো না; তিনিই অন্ধকারের সমস্ত গোপন বিষয় আলোতে প্রকাশ করবেন এবং হৃদয়ের সমস্ত গোপন বিষয়ও প্রকাশ করবেন এবং সেই সময় প্রত্যেকে ঈশ্বরের কাছে নিজের নিজের প্রশংসা পাবে ।
6হে ভাইয়েরা, আমি আমার ও আপল্লোর উদাহরণ দিয়ে তোমাদের জন্য এইসব কথা বললাম; যেন আমাদের কাছ থেকে তোমরা এই শিক্ষা পাও যে, যা লেখা আছে, তা অতিক্রম করতে নেই, তোমরা কেউ যেন একজন অন্য জনের বিপক্ষে অহংকার না কর ।
7কারণ কে তোমাদের মধ্য ভেদাভেদের সৃষ্টি করেছে ? আর এমন কি আছে যা তোমরা বিনামূল্যে পাও নি না, এমনই বা তোমার কি আছে ? আর যখন পেয়েছ; আর যা পাও নি, এমন মনে করে কেন অহংকার করছ ?
8তোমরা এখন পূর্ণ হয়েছ ! এখন ধনী হয়েছ ! আমাদের ছাড়া রাজত্ব পেয়েছ! আর রাজত্ব পেলে ভালই হত, তোমাদের সঙ্গে আমরাও রাজত্ব পেতাম ।
9কারণ আমার মনে হয়, প্রেরিতরা যে আমরা, ঈশ্বর আমাদেরকে মৃত্যুদন্ডপ্রাপ্ত লোকেদের মতো মিছিলের শেষের সারিতে প্রদর্শনীর জন্য রেখেছেন; কেননা আমরা জগতের ও দূতদের ও মানুষের কৌতুহলের বিষয় হয়েছি ।
10আমরা খ্রীষ্টের জন্য মুর্খ, কিন্তু তোমরা খ্রীষ্টে বুদ্ধিমান; আমরা দুর্বল, কিন্তু তোমরা শক্তিশালী; তোমরা সম্মানিত, কিন্তু আমরা অসম্মানিত ।
11এখনকার এই সময় পর্যন্ত আমরা ক্ষুধার্ত, তৃষ্ণার্ত ও বস্ত্রহীন অবস্থায় জীবনযাপন করছি, আর খুবই খারাপভাবে আমাদেরকে অত্যাচার করা হয়েছে এবং আমরা আশ্রয় বিহীন;
12আর আমরা নিজেদের হাতে খুবই কঠিন পরিশ্রম করছি, অপমাণিত হয়েও আশীর্বাদ করছি এবং অত্যাচার সহ্য করছি,
13নিন্দিত হলেও অনুরোধ করছি; আজ পর্যন্ত আমরা যেন জগতের আবর্জনা, যেন সকল বস্তুর জঞ্জাল হয়ে আছি ।
14আমি তোমাদেরকে লজ্জা দেওয়ার জন্য নয়, কিন্তু আমার প্রিয় সন্তান মনে করে তোমাদেরকে চেতনা দেওয়ার জন্য এইসব লিখছি ।
15কেননা যদিও খ্রীষ্টে তোমাদের দশ হাজার শিক্ষক থাকে তবুও তোমাদের বাবা অনেক নয়; কারণ খ্রীষ্ট যীশুতে সুসমাচারের মাধ্যমে আমিই তোমাদেরকে জন্ম দিয়েছি ।
16অতএব তোমাদেরকে অনুরোধ করি, তোমরা আমার মতো হও ।
17এইজন্য আমি তীমথিয়কে তোমাদের কাছে পাঠিয়েছি; তিনি প্রভুতে আমার প্রিয় ও বিশ্বস্ত সন্তান; তিনি তোমাদেরকে খ্রীষ্ট যীশুর বিষয়ে আমার সমস্ত শিক্ষা মনে করাবেন, যা আমি সব জায়গায় সব মন্ডলীতে শিক্ষা দিয়ে থাকি ।
18আমি তোমাদের কাছে আসব না জেনে কেউ কেউ গর্বিত হয়ে উঠেছে ।
19কিন্তু প্রভু যদি ইচ্ছা করেন, তবে আমি খুব তাড়াতাড়িই তোমাদের কাছে যাব এবং যারা গর্বিত হয়ে উঠেছে, তাদের কথা নয়, কিন্তু তাদের ক্ষমতা জানব ।
20কারণ ঈশ্বরের রাজ্য কথায় নয়, কিন্তু শক্তিতে ।
21তোমাদের ইচ্ছা কি ? আমি কি বেত নিয়ে তোমাদের কাছে যাব ? না ভালবাসা ও নম্রতার আত্মায় যাব ?